Inhouse product
ফলের রাজা আম। ফল হিসেবে আমের তুলনা নেই। এটি খেতে পছন্দ করে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া যাবে না। ছোট বড় সকল বয়সের মানুষ পাকা আম খেতে খুব পছন্দ করে। গ্রীষ্ম ঋতুতে আমের গন্ধে চারিদিক মো মো করে। তবে কাঁচা আমেরও তুলনা নেই। কাঁচা আম দিয়ে ঘরে ঘরে তৈরি হয় নানা রকম আচার। টক মিষ্টি ঝাল নানা রকম আচার বানানো যায়। আচার ছাড়াও আরো অনেক কিছু করা যায় কাঁচা আম দিয়ে। যেমন – আমচুর। আজ আমরা আমচুর নিয়ে কথা বলবো।
আমচুর খুব সাধারন ভাবে তৈরি করা গেলেও এর উপকারিতা বহুমুখী। আমচুর তৈরি তে খুব বেশি উপকরনের প্রয়োজন হয় না। আম হতে হবে মাঝারি পরিপক্ক। খুব বেশি পরিপক্ক হয়ে গেলে কাটতে অসুবিধা হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আমের আঁটি খুব বেশি শক্ত না হয়ে যায়। আর প্রয়োজন হবে লবন এর। লবন দিলে আমচুরে পোকা ধরবে না। অনেক দিন ভালো থাকবে।
গাছ থেকে আম পাড়ার পর তা একদিনের জন্য রেখে দেয়া হয়। এতে আমের কষ বের হয়ে আম কিছুটা নরম হয়ে যাওয়ার সময় পায়। এর পর সেই আমগুলো কে ধোয়া হয়। বিশাল পাত্রে পানি নিয়ে সেই পাত্রে আমগুলো কে চুবিয়ে ভালো ভাবে পরিষ্কার করে নেয়া হয়। তারপর সেগুলো থেকে পানি ঝড়ানো হয়। পানি ঝড়ানো হয়ে গেলে, সে গুলো কে কুচি কুচি করে কেটে নিয়ে লবন মেখে রোদে শুকাতে দিতে হয়। ভালোভাবে শুকিয়ে গেলেই তৈরি হয়ে গেল আমচুর।
বানিজ্যিক ভাবে আমচুর উৎপাদন করে হিমাগারে সংরক্ষন করা হয়। তাই সারা বছরই আমচুরের প্রাচুর্য থাকে।
এর বহুবিধি ব্যবহার রয়েছে। এটি দিয়ে ছোট মাছের চচ্চরি, নানা রকম সবজি এমনকি আমচুর দিয়ে ডাল ও রান্না করা যায়। আমচুরের পাউডার বিভিন্ন রকম রান্নায় ব্যবহৃত হয় । এছাড়া আমচুর দিয়ে সুস্বাদু আচার তৈরি করা যায় । চুইঝাল স্পেশাল আমচুরের আচার পাওয়া যায় বাজারে । এটি খেতে যেমন স্বাদ তেমনি স্বাস্থ্যগত দিক থেকে ও উপকারি ।
আমচুরের আচার বানাতে যে সকল উপাদান দরকার হয়-
আমচুর ,পাঁচ ফোড়ন , চিনি , লবন , শুঁকনো মরিচ ।
মজার বিষয় হলো এই আচার বানাতে কোন তেল লাগে না । তাই উচ্চ রক্ত চাপ ও ডায়েবেটিক রোগিদের জন্য উপকারী। ছোট বড় সবাই এটা খেতে পারে। গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপকারি।
https://proyojon.shop
Login Or Registerto submit your questions to seller
No none asked to seller yet